ঈদের ছুটি শেষে আবারও কর্মমুখর হয়ে উঠেছে গাজীপুর শিল্পাঞ্চল। টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে খুলেছে গাজীপুরের সব কারখানা। রোববার (২৯ মার্চ)
- কাকডাঙ্গা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের দোয়া ও বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা
- * * * *
- টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ তামাকজাত দ্রব্য ধ্বংস
- * * * *
- চট্টগ্রামে এক সঙ্গে চার শিশুর জন্ম
- * * * *
- বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: স্পিকার
- * * * *
- মুন্সীগঞ্জে টিকাদান ক্যাম্পেইন সফলের লক্ষ্যে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা
- * * * *
উৎপাদন শুরু
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেডের (কেপিএম) কারখানায় চারদিন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর আবারও উৎপাদন শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ ১৩ মাস পর জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছে।সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।
চার দিন পুরোপুরি বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু হয়েছে।
গ্যাস সংকটে ১৩ মাস উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ফের ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে জামালপুরের সরিষাবাড়ির তারাকান্দি যমুনা সার কারখানায়।
দীর্ঘ ১৪ দিন পর শুরু হলো পটুয়াখালীর পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন।
দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে।গতকাল রোববার রাত ১২টায় এতথ্য নিশ্চিত করেন দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো: আবু বক্কর সিদ্দিক।
সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ জুন) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় পেট্রোবাংলা।
বাগেরহাটের রামপালে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) ভোর ৪ টার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে বলে জানা গেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সব অফিস, শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জাতীয় এই ছুটির সময় দেশের সামগ্রিক বিদ্যুতের চাহিদা যখন আট হাজার দুই শ’ মেগাওয়াটে নেমে আসে, তখন তিনটি বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র তাদের তিনটি উৎপাদন ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।